চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

মুর্শিদাবাদ: রাত পোহালেই চার লোকসভা কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট জঙ্গিপুর এবং মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে। এবার এই দুই লোকসভা কেন্দ্রেও চতুর্মুখী লড়াই। জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের একদিকে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ছেলে কংগ্রেস প্রার্থী অভিজত মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদধন্য তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম। রয়েছেন সিপিএম প্রার্থী মুজফর হোসেন। তিন প্রার্থীর সঙ্গে সমান লড়াইয়ে মোদী ফ্যাক্টরকে কাজে লাগাতে চাইছে সম্রাট ঘোষ। ফলে, চতুর্মুখী লড়াইয়ে ভোট হাড্ডাহাড্ডি হবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। তবে, লড়াই যতই থাকুক ভোট বাজারে ফায়দা নিতে কিছুটা হলেও পাল্লাভারি প্রণবপুত্রের দিকে।

ভোট প্রচারে অভিজিৎ।
ভোট প্রচারে অভিজিৎ। জঙ্গিপুর কেন্দ্রের প্রার্থী।

অন্যদিকে, জঙ্গিপুরে পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রেও চতুর্মুখী লড়াই হবে এবার। রায়গঞ্জ, জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের মতোই কংগ্রেসের শক্তঘাটি বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদ কেন্দ্র। কংগ্রেস দুর্গে ঘাসফুল ফোঁটাতে বারবার এই কেন্দ্রে ছুটে গেছেন তৃণমূল নেত্রী। তৃণমূল প্রার্থী মহম্মদ আলিকে জেতানোর জন্য মানুষের কাছে আবেদন রেখেছেন তিনি। অন্যদিকে, দুর্গ যাতে হাতছাড়া না করতে মরিয়া কংগ্রেস শিবিরও। এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার সেরেছেন মান্নান হোসেন। ফলে, এই কেন্দ্রে তিনিই জিতবেন বলে আশাবাদী মান্নান। দুই প্রার্থী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ দেখছে বিজেপি প্রার্থী সুজিত কুমার ঘোষ এবং বাম প্রার্থী মোজুদ্দেজা খান।
মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ লক্ষ ৯০ হাজার ৩২৬জন। এই কেন্দ্রের মোট পুরুষ ভোটার ৭৮১৩৮১, রয়েছেন৭২৯৩৭৫ জন মহিলা ভোটার, অন্যান্য ৩ জন। অন্যদিকে, জঙ্গিপুর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ লক্ষ ১০ হাজার ৭৫৯জন। যার মধ্যে ৭১৩৯৪৮ জন পুরুষ ভোটার এবং ৬৭৬৩৬৫ মহিলা ভোটার, অন্যান্য ১৩ জন। দুই লোকসভা কেন্দ্র মিলিয়ে মোট বুথ সংখ্যা ৫২হাজার ৬৬০টি। যার মধ্যে ২০০০ এরও বেশি অতি স্পর্শকাতর ভোট। ফলে, সুষ্টভাবে এই দুই কেন্দ্রে ভোট করাতে উদ্যোগী কমিশন। ইতিমধ্যে, দুই কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছে ৬৪ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Comments are closed.