প্রতীকি ছবি

কলকাতা: ভয়ঙ্কর সাইক্লোনে বিপর্যস্ত বাংলা। ৪৮ ঘন্টা কেটে গেলেও এখনও বহু জায়গায় নেই বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট। মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ! সাইক্লোনের ৪৮ ঘন্টা কেটে গেলেও কেন এমন অবস্থা? মানুষের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে ক্ষোভ। যদিও শহরকে পুরোপুরি স্বাভাবিক করার জন্যে সাতদিন সময় চেয়ে নিয়েছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু সবথেকে খারাপ অবস্থা বিদ্যুৎ পরিষেবার।

কলকাতার কিছু অংশ তো বটেই, জেলার একাধিক জায়গায় অন্ধকারে রয়েছেন বহু মানুষ। ৪৮ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে তাঁদের বিদ্যুৎ নেই। কিন্তু কেন এমন অবস্থা? বিধ্বংসী ঝড়ে সবথেকে বেশি খারাপ অবস্থা বিদ্যুতের।

রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে রাজ্যের ৬০ শতাংশ সাবস্টেশন বিপর্যস্ত। রাজ্যের পাঁচটি জেলায় বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই বললেই চলে। যার মধ্যে অবশ্যই রয়েছে কলকাতা। বাকি জেলাগুলি হল দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি। এই পাঁচ জেলায় ভয়ঙ্কর ভাবে ভেঙে পড়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবা। তবে নদিয়া, দুই মেদিনীপুর, মালদহ, বীরভূম-সহ একাধিক জেলায় আংশিক পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে।

যদিও আজ শুক্রবার সকাল থেকেই মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সর্বত্র বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়ে। এই অবস্থায় তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টয়াপধ্যায়। রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিপর্যস্ত এলাকার ২৩৫টি সাবস্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত।

যার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৪৯টি সক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে। বাকি এখনও অনেকগুলি। চেষ্টা করা হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ ফেরানো যায়। মন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের ১ কোটি গ্রাহকের বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। তবে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা কাজ করছেন। মন্ত্রীর দাবি মতো, প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার কর্মীরা কাজ করছেন।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।