স্টাফ রিপোর্টার, রায়দিঘি: আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে আর্থিক দুর্নীতি, স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠলো তৃণমূল নেতা তথা নন্দকুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস‍্য স্বপন কুমার ঘাটুর বিরুদ্ধে। অভিযোগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করল তৃণমূল।

কৈলাশপুর গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, মথুরাপুর ২ নং ব্লকের নন্দকুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস‍্য স্বপন কুমার ঘাটু আমফানে সরকারি আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার তালিকায় নিজের পরিবারের লোকেদের নাম ঢুকিয়েছে। মঙ্গলবার এই ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা তাঁকে স্থানীয় ওই তৃণমূল নেতাকে স্থানীয় একটি স্কুলের মাঠে আটকে রাখে। সেখানে পৌঁছন বিডিও।

গ্রামবাসী ও বিডিওর চাপে শেষ পর্যন্ত দোষ স্বীকার করে ওই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। এরপর ওই নেতাকে সবার সামনে ভর্ৎসনা করেন বিডিও। কান ধরতে বলেন তিনি। সবার সামনে কান ধরে স্বপন কুমার ঘাটু বলেন, “কোনও ভাবে তালিকায় ত্রুটি হয়ে গেছে। ক্ষমা করবেন।” পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তালিকাভুক্ত সকলেই ক্ষতিপূরণের টাকা দফায় দফায় পাবেন, আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিয়ে গ্রামবাসীদের অসন্তোষের সত্যতা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বিডিও।

এ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধান জ্যোৎস্না পাত্র জানিয়েছেন, “গ্রামের ৮৫০০ পরিবারের মধ্যে ৬৫৩৮ টি পরিবারের নাম ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকাভুক্ত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০০ জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ক্ষতিপূরণের ২০ হাজার টাকা ঢুকেছে। একসঙ্গে সকল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সেই কারণেই এই ক্ষোভ।” ঘটনাটি জানতে পেরে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি জানান, ওই নেতার বিরুদ্ধে দলীয় তদন্ত করা হবে। এরপরই এদিন বিকেলে স্বপন কুমার ঘাটুকে বহিস্কার করে তৃণমূল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ