স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের ছোবল খেলেন এক পরিযায়ী শ্রমিক। বিষধর সাপটি কালাচ সাপ বলে প্রাথমিক অনুমান প্রত্যক্ষদর্শীদের। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে দাসপুরে।সেইসঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

জানা গিয়েছে, বিশ্বজিৎ খাড়া নামে এক পরিযায়ী শ্রমিক দিন দশেক ধরে রয়েছেন যদুপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। ওই গ্রামেই তাঁর বাড়ি। মুম্বইয়ে সোনার কাজ করেন তিনি। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালু হওয়ার পর দশ দিন আগে গ্রামে ফিরেছেন। তারপর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গ্রামের স্কুলে তৈরি হওয়া কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোর চারটে নাগাদ মশারির ভিতর ঘুমিয়ে ছিলেন ওই পরিযায়ী শ্রমিক। তখনই তাঁকে ছোবল মারে একটি বিষধর সাপ। যন্ত্রণায় আর্তনাদ করে ওঠেন তিনি। পাশে শুয়ে থাকা অন্য শ্রমিকরা তাঁর চিৎকারে জেগে যান। তখনই মশারির পাশে সাপটিকে দেখতে পান তাঁরা। তড়িঘড়ি সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের ওই ঘরে থাকা অপর এক পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁদের চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ছুটে আসেন।

ওই পরিযায়ী শ্রমিককে উদ্ধার করে প্রথমে দাসপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান।অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। পরিবারের অভিযোগ, দিন দশেক ধরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকলেও পরিযায়ী শ্রমিকদের কোনও খোঁজখবর নেয়নি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।

এমনকি সাপের ছোবল খাওয়ার পরেও তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স মেলেনি। জানা গিয়েছে, ওই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এই মুহুর্তে আটজন পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।