রায়গঞ্জঃ রাজ্যে ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষনা করেছিলেন, সাধারন মানুষের অসুবিধা হয়, এমন কাজ তাঁর দল করবে না। এরমধ্যে বনধ, অবরোধ সবই ছিল। বস্তুত তৃণমুল সরকারের আমলে বনধ হয়নি। তৃণমুল কংগ্রেস করেনি রাস্তা অবরোধ। কিন্তু সেসব ভুলে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে শনিবার সেই রাস্তা অবরোধ করল রায়গঞ্জ ব্লক তৃনমুল কংগ্রেস।

কৃষকদের দাবি পূরণে এই আন্দোলন বলে জানিয়েছে তৃনমুল কংগ্রেস। তৃণমূলের কৃষক বিক্ষোভের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক। যার জেরে তীব্র যানজট তৈরি হয়। শনিবার কৃষি ঋণ মুকুব, পাটের সহায়ক মূল্য প্রদান সহ সাত দফা দাবিতে কৃষক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে রায়গঞ্জ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। জাতীয় সড়কের উপর ধান, ভুট্টা ছড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কৃষকরা।

এর জেরে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে। কৃষক সমাজের স্বার্থে সমস্তরকম কৃষি ঋণ মুকুব করা, পাট চাষী ও পাটশিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সরকারকে পাটের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ৭ হাজার টাকা প্রতি কুইন্টাল করা, অবিলম্বে জেলায় সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু এবং ভুট্টার সহায়ক মূল্য ঘোষণা করে ভুট্টা ক্রয়কেন্দ্র চালু করা সহ সাত দফা দাবি নিয়ে শনিবার রায়গঞ্জের বারোদুয়ারি এলাকায় কৃষক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় রায়গঞ্জ ব্লক তৃনমূল কংগ্রেস।

রায়গঞ্জ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মানস ঘোষ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের অপরিকল্পিত লকডাউনের কারণে দেশের সমস্ত কৃষক আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অবিলম্বে দেশের সমস্ত কৃষকদের সবধরনের কৃষি ঋণ কেন্দ্রীয় সরকারকে মুকুব করতে হবে।

শনিবার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদ জানিয়ে রায়গঞ্জ ব্লকের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল রাস্তায় ফেলে বিক্ষোভ দেখান। কৃষকদের এই বিক্ষোভ সমাবেশের জেরে রায়গঞ্জের বারোদুয়ারি ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ঘন্টা দুয়েকের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে থাকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ