বৃহস্পতিবার ইডেনে ব্যাট করতে নামছেন মাস্টার ব্লাস্টার৷

বৃহস্পতিবার মাস্টার ব্লাস্টার যে ব্যাট হাতে নামবেন, সেটা বুধবারই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল৷ দুই ভারতীয় ওপেনার যেভাবে ব্যাট করছিলেন, তা দেখে প্রত্যেকে প্রায় ধরেই রেখেছিলেন অত সকাল সকাল মাঠে গিয়ে কি হবে,বিজয়-শিখরের পর তো পূজারা রয়েছেন৷ অত সহজে আউট হওয়ার পাত্র তাঁরা মোটেই নন৷ তাই সচিনের খেলা দেখতে লাঞ্চের সময় বা তার পরে মাঠে গেলেই হয়৷ কে জানত, যে বাড়ি থেকে বেরোতে না বেরোতেই টিম ইন্ডিয়ার ‘হাফ অফ দ্য সাইড’ প্যাভিলিয়ানে ফিরে যাবে৷ তাই যারা মাঠে ছিলেন এবং যারা ছিলেন না, প্রত্যেকেই বৃহস্পতিবার মুখ ভার নিয়েই ঘরে ফিরবেন৷ অবশ্য এখনই পুরোপুরি হাল ছাড়ছেন না কেউই ৷ ইডেনের দ্বিতীয় ইনিংস যে বাকি৷ সঙ্গে ওয়াংখেড়ের আরও দু’টি ইনিংস৷ ক্রিকেটের ঈশ্বরের ব্যাটিং দেখবার যে আরও তিনটি সুযোগ রয়েছে দেশবাসীর৷

বুধবার টেস্টের প্রথম দিনে সামি, ভুবনেশ্বরদের সুইং এবং পেসের সামনে যেমন সমস্যায় পড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা৷ এদিন তেমনই ক্যারিবিয়ান বোলারদের দাপটে লাঞ্চের আগে পুরোপুরি ফ্লপ ভারতের ‘সুপারস্টার’ ব্যাটিং লাই আপ৷ সৌজন্যে অবশ্যই ওয়েস্ট ইন্ডিজের অখ্যাত অফ স্পিনার শ্যেন শিলিংফোর্ড৷ যার স্পিনের মিশ্রণে কুপোকাত পুজারারা৷ তবে মাস্টার ব্লাস্টারের এদিনের আউট নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে৷ শিলিংফোর্ডের বল বেশ খানিকটা ঘুরে সচিনের পায়ের অনেকটাই উপরে লাগে৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও আম্পায়ার নাইজেল লং ক্যারিবিয়ানদের জোরালো আবেদনে সাড়া দিতে বেশি সময় নেননি৷ সচিন আউট হতেই এক মুহূর্ত পুরো শান্ত হয়ে যায় গোটা স্টেডিয়াম৷ তারপরে আবার দর্শকরা উঠে দাঁড়িয়ে লিটল মাস্টারকে সম্মান জানাতে ভোলেননি৷ চোখে মুখে তখন শুধুই হতাশার ছবি৷ কারণ, সবারই তখন একাটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল মাথায়, দ্বিতীয় ইনিংসে সচিন যখন শেষবারের মতো ইডেনে ব্যাট করবেন, তখন কি আর তাঁর ব্যাটিং দেখতে মাঠে উপস্থিত থাকা যাবে?

আউট হয়ে প্যাভিলিয়ানের পথে সচিন৷
আউট হয়ে প্যাভিলিয়ানের পথে সচিন৷