বর্ধমান:  মজুতদারির বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান চলছেই। মেমারিতে চাল মজুতের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মঙ্গলবার সকালে গ্রেফতার করে পুলিস। ওইদিনই ডিম মজুতের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে আউশগ্রাম থানার অধীন গুসকরা বিট হাউসের পুলিস। ধৃতের নাম জামাল আবুল নাসির। আউশগ্রাম থানার পিচকুড়িতে তার বাড়ি। মুরগি হাটতলায় তার দোকান আছে।

দোকানে হানা দিয়ে পুলিশ ৭ হাজার ৯৮০টি ডিম বাজেয়াপ্ত করে। ডিমের বৈধ কোনও কাগজপত্র দেখাতে না পারায় দোকানের মালিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যদিকে, আউশগ্রাম থানার এড়ালে একটি দোকান ও গোডাউনে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণ চাল বাজেয়াপ্ত করেছে আউশগ্রাম থানার পুলিস। দোকানের মালিক শেখ রফিকুল হক ওরফে জাপানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আউশগ্রাম থানারই জয়রামপুরে তার বাড়ি।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে দোকান ও লাগোয়া গোডাউনে হানা দিয়ে ১ হাজার ৩৪০ বস্তা বিভিন্ন ধরণের চাল বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দু’টি লরিও আটক করা হয়েছে। কালোবাজারির উদ্দেশ্যে চাল মজুত করা হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি। দোকান ও গোডাউন সিল করে দিয়েছে পুলিশ। দু’টি ঘটনায় ধৃতদের বুধবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম কল্লোল ঘোষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.