সোফিয়া: টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করলেন ভারতের মহিলা কুস্তিগির সীমা বিসলা। বুলগেরিয়ার সোফিয়াতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছনোর সঙ্গেই টোকিও অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করেন।

সবমিলিয়ে টোকিও অলিম্পিকে সর্বমোট চারজন মহিলা কুস্তিগির দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সীমার আগে ভিনেশ ফোগত (৫৩ কেজি বিভাগ), আনশু মালিক (৫৭ কেজি বিভাগ) এবং সোনম মালিক(৬২ কেজি বিভাগ) অলিম্পিকে নিজের স্থান পাকা করে নিয়েছিলেন। এবার সীমাও সেই তালিকায় নিজের নাম লেখালেন। সীমাকে অবশ্য টোকিওয় কুস্তির ৫০ কেজির বিভাগে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যাবে। ইতিহাসে প্রথমবার চার মহিলা কুস্তিগির ভারতের হয়ে অলিম্পিকে লড়বেন। এর আগে ২০১৬ সালের অলিম্পিকে সর্বাধিক তিন জন মহিলা কুস্তিগিরকে ভারতের হয়ে লড়তে দেখা গিয়েছিল।

সেমিফাইনাল ম্যাচে এদিন সীমার প্রতিপক্ষ ছিলেন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী পোল্যান্ডের অ্যানা লুকাসিয়াক। পোলিশ প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানে বাউট জিতে সীমা ফাইনালে পৌঁছন। সেমিফাইনালের বাউটে সীমা প্রথমে পাসিভিটিতে একটি পয়েন্ট হারান। কিন্তু তারপরে দ্রুত একটি টেক ডাউন করে ২ পয়েন্ট অর্জন করে নেন। ফলে স্কোর তাঁর পক্ষে দাঁড়ায় এবং শেষ অবধি তিনি নিজের সেই লিডকে বজায় রেখে জয় ছিনিয়ে নেন সীমা। শনিবার ফাইনালে তাঁর সামনে ইকুয়েডরের কুস্তিগির লুসিয়া ইয়ামিলেথ ইয়েপেজ গাজম্যান।

সম্প্রতি আলমাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয়ী সীমা চলতি যোগ্যতাঅর্জন পর্বের শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে বেলারুশের কুস্তিগির অ্যানাস্তাশিয়া ইয়ানোটাভার বিরুদ্ধে দৃঢ় রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজিতে বাজিমাত করেছিলেন। একইসঙ্গে ৮-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে শেষ চার পাকা করেছিলেন।

তবে তাঁকে আরও দুরন্ত ছন্দে দেখা যায় সুইডেনের প্রতিপক্ষ এমা জোনা ডেনিস মাল্মগ্রেনের বিরুদ্ধে। ৪৩ সেকেন্ড বাকি থাকতেই সুইডিশ প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। ওই বাউটে সীমা নিজের শক্তি আরও ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন এবং শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলছিলেন। ১০-২ ফলে এগিয়ে থাকা অবস্থায় তিনি প্রতিপক্ষকে পিন করে বাউটটি জিতে নেন।

তবে সীমা এদিন জয়লাভ করলেও ভারতের অপর দুই মহিলা কুস্তিগির নিশা দাহিয়া(৬৮ কেজি) ও পূজা দিহাগ(৭৬ কেজি) নিজেদের বিভাগে জয়লাভে ব্যর্থ হন, ফলে তাঁদের টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণের আশাও শেষ হয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.