স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: অরূপ বিশ্বাস ও মলয় ঘটককে ঘরে আটকে রেখে শুভেন্দু অধিকারীর নামে স্লোগান দিলেন তৃণমূল কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে। লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে একদা পরিচিত আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

শুধু তাই নয়, শাসক দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীকোন্দলের সুযোগ নিয়ে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের ভোট ব্যাঙ্কেও থাবা বসিয়েছে গেরুয়া শিবির। এই পরিস্থিতিতে বুধবার জলপাইগুড়ি জেলার তৃণমূল নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন জেলার দুই পর্যবেক্ষক অরূপ বিশ্বাস ও মলয় ঘটক। এই বৈঠকের পর জলপাইগুড়ি জেলা ও ব্লক স্তরের কমিটিগুলি তৈরি করা হয়।

পরে সাংবাদিক বৈঠক করে কমিটিতে জায়গা পাওয়া দলের সদস্যদের নাম ঘোষণা হয়। তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জেলা কার্যালয়। এদিন ময়নাগুড়ির ব্লক সভাপতি হিসেবে মনোজ রায়ের নাম ঘোষণা হতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ময়নাগুড়ির তৃণমূল নেতা ডালিম রায়ের অনুগামীরা।

তাঁরা চিৎকার করে বলতে শুরু করেন, দলে টাকা দিয়ে পদ কেনাবেচা হচ্ছে। এটা তাঁরা মেনে নেবেন না। এদিন বিক্ষোভের সময় জেলা কার্যালয় থেকে কার্যত পালিয়ে যান উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী তথা ডাবগ্রাম ফুলবাড়ির বিধায়ক গৌতম দেব। কিন্তু আটকে পড়েন অরূপ বিশ্বাস এবং মলয় ঘটক।

তারপর দুই মন্ত্রীকে জেলা কার্যলয়ের ভিতর আটকে রেখেই ব্লক স্তরের কমিটি গঠন নিয়ে তুমুল বিক্ষোভ হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। পরে অবশ্য মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের আশ্বাসেই শান্ত হন বিক্ষোভকারীরা। প্রসঙ্গত, দু’দিন আগেই কোচবিহারের দলীয় সভায় তুমুল গোষ্ঠী কোন্দলের ঘটনা ঘটেছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ